বন্ধুর ফেলে দেওয়া লটারির টিকিটে ভাগ্য খুললো আরেক বন্ধুর। কিন্তু পরিণতি শুনলে শিউরে উঠবেন

0
217

সকালে ঘুম থেকে উঠে থেকে রাতে শুতে যাওয়া অবধি আমরা যে জিনিসটির জন্য আমাদের সমস্ত ক্যালরিকে বর্জন করি সেটি হলো টাকা। ভাগ্যের চাকা যাতে কিছুটা আমাদের দিকেও ঘোরে সেই প্রচেষ্টাতেই ইঁদুরদৌড়ে ছুটে মরছি সকলে। প্রত্যেক রাস্তারই কিছু শর্টকার্ট আছে। কখনো কখনো এই শর্টকার্টে লাভের থেকে ক্ষতিই বেশি হয় কিন্তু তাতে কি? মানুষের মন আর কবেই বা লাভ ক্ষতির হিসেব করে? আর ভাগ্যের চাকা খোলার অন্যতম শর্টকার্ট হলো লটারি। হ্যাঁ লটারিতে একবার নাম বেঁধে গেলেই ব্যস কেল্লাফতে। এই নিয়ে অতীতে নানা নাটক, থিয়েটার, সিনেমা এবং বর্তমানে একটি মেগাসিরিয়ালও শুরু হয়েছে। তবে এই লটারির টিকিট যে আসলে কতটা মারাত্মক তার প্ৰমাণ পাওয়া যায় বালুরঘাটের এক ঘটনা থেকেই।

ভাগ্য কার কখন কিভাবে খুলে যায় তা কেউ বলতে পারেনা। ঠিক এক বছর আগে এভাবেই ভাগ্য খুলে গেছিল দুই বন্ধুর। ব্যাপারটা একটু খুলেই বলা যাক, প্রভাত মহন্ত ও বলরাম মহন্ত অনেকদিনের বন্ধু। এক বছর আগে প্রভাত একটি লটারির টিকিট কেন এবং সেই টিকিট না মিলিয়েই ফেলে দেয়। টিকিটটা কুড়িয়ে নেয় বলরাম। প্রভাতের ফেলে দেওয়া ওই টিকিটে বলরাম পায় ৯০হাজার টাকা। কিন্তু গোল বাঁধে ঠিক এর পরেই। টিকিটের আসল মালিক ছাড়া টাকা পাওয়া সম্ভব নয় বলে বলরাম প্রভাতকে টিকিট ফিরিয়ে দেয় এই শর্তে যে, ওই অর্থের ৫০% সে বলরামকে দেবে। অর্থাৎ দুজনের মধ্যে টাকা ভাগ করে নেওয়ার চুক্তি হয়।

এরপরে দুই বন্ধু বাজারে একটি দোকান কেনেন। কিন্তু সেই টাকা ভাগাভাগির কোন সমাধান হয় না। এই কারনে দুইবন্ধুর মধ্যে প্রায়ই বচসা হতো তবে সেই বচসাসোমবার এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, প্রভাতের পেটে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারে বলরাম। এর ফলে প্রভাতের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রভাতকে। অন্যদিকে ক্ষিপ্ত জনতা মারধোর করে বলরামকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।