বেশি রাত জাগলে কি হয় জানুন কি বলছে ডাক্তার

0
467

এরকম আরও মজাদার নিউজ পেতে আমাদের পেজটি স্ক্রল করে নীচে দেখুন অথবা আমাদের নতুন সংযোজন আরও পড়ুন অপশনটিতে ক্লিক করুন।
রাতে অনেকক্ষন জেগে থাকার অভ্যাস, কিংবা রাত জেগে অনেকক্ষণ কাজ করতে হয়, রাতে কী ঘুম আসে না, মোবাইল বা ল্যাপটপে ফেসবুক হ্যোয়াটস্যাপে চ্যাটিং করতে করতে ঘুমোতে অনেক দেরী হয়ে যায়৷

এসব কারনে কি ব্যাঘাত ঘটছে আপনার ঘুমের? তাহলেই সাবধান। এসব কারনে অজান্তেই আপনার জীবনে নেমে আসছে না তো ঘোর বিপদ। বিশদে আলোচনা নিচে দেওয়া হল ৩ নং পয়েন্টটি মিস করবেন না।
আপনার রাত জেগে থাকাটাই আপনার জীবনে সর্বনাশ ডেকে আনছে না তো? রাত জেগে কাজ করলে অথবা রাতে ঠিক সময় ঘুম না হলে আপনার শারীরিক ভারসাম্যের ব্যাঘাত ঘটে যার ফলে মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হয়৷

প্রকৃতির নিয়মে আমরা রাতে ঘুমোতে যাই৷ রাতে ঠিক মত ঘুম না হলে সারা দিনটা যেন আমাদের ক্লান্তির মধ্য দিয়ে কেটে যায়৷ একটি প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের রাতে অন্তত পক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়৷ কিন্তু অামাদের মধ্যে অনেকেরই এই রাতে ঘুমের অভ্যাসটি নেই৷ কারো হয়তো বা কাজের জন্য জাগতে হয় আবার কেউ ফেসবুক হ্যোয়াটস্যাপে চ্যাটিং করে। কিন্তু এই রাত জাগাই আপনার জীবনে মারন রোগ ডেকে আনে। এতে দেহ ঘড়ির ছন্দ পতন হয়৷ দেহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বিনষ্ট হয়৷

মার্কিন স্লিপ রিসার্চ সেন্টার সম্প্রতি এর ওপর গবেষনা করেছেন। তাদের মতে যারা রাত জাগা প্রায় এক প্রকার অভ্যাসে পরিনত করেছেন, তাদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ রোগ ও ক্যানসারের লক্ষণ ও দেখা যায়৷

আরও পড়ুন- দিনে বেশি ঘুমালে শরীরে কি হয় জানেন? জানলে চমকে যাবেন, জানলে হয়তো মেয়েরাই সর্বপ্রথম….

গবেষকদের মতে আমাদের দেহ এক ছন্দের মধ্যে চলে, আর সেই ছন্দ হল রাতে ঘুম আর দিনে কাজ। রাতে জাগার ফলে হরমোন পরিবর্তন, দেহের তাপমাত্রায় রদবদল, মেজাজ ও মস্তিষ্কের কাজকর্মে ব্যাপক প্রভাব পড়তে দেখা যায়। গবেষনা প্রসঙ্গে গবেষক আর্চার জানিয়েছেন যে, রাত জাগার ফলে মানুষের জিনের ৬ শতাংশ পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। আমাদের দেহ ঘড়ির ৯৭ শতাংশ জিনের পরিবর্তন ঘটে না ঘুমালে।

আরও পড়ুন- দাড়ি ঘন করার সবচেয়ে প্রাকৃতিক উপায়, একবার ট্রাই করে দেখুন, হাতে নাতে ফল পাবেন

এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গবেষকরা জানিয়েছেন যে, একটি বাড়িতে যদি সব ঘরে ঘড়ি থাকে আর সব ঘড়িতেই যদি উল্টো পাল্টা সময় দেখায় তাহলে বাড়ির যেরকম অবস্থা হবে আমাদের শরীরেরও সেরকম পরিবর্তন ঘটে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে রাতে সময়মত ঘুমোনোর অভ্যাস করতে হবে। যদি সেই অভ্যাস না থাকে তাহলে ধীরে ধীরে সেই অভ্যাস তৈরি করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here